নির্বাচিত গল্প
নির্বাচিত গল্প
৳ 296.25
৳ 395.00 (25% OFF)
 রাষ্ট্র গণতন্ত্র ও বিবিধ
রাষ্ট্র গণতন্ত্র ও বিবিধ
৳ 262.50
৳ 350.00 (25% OFF)

বাংলাদেশের প্রশাসন ১৯৮২-১৯৯০

https://baatighar.com/web/image/product.template/113300/image_1920?unique=21a4e87
(0 review)

স্বাধীনতা-লাভের পর সুদীর্ঘ পথপরিক্রমায় বাংলাদেশের যদিও অনেক অনেক অর্জন আছে, তথাপি প্রত্যাশিত অগ্রগতি আসেনি। এখনো ক্ষুধা-দারিদ্র্যতা, বেকারত্ব, বাস্তুহীনতা, শিক্ষা, চিকিৎসা ও সামাজিক নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলো অগ্রগতির পথকে রুদ্ধ করছে বারংবার। স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল একটি বৈষম্যহীন কল্যাণমূলক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার। আর এই মূল প্রত্যাশাই পূরণ হয়নি। রাজনীতির লক্ষ্য গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা এবং জনকল্যাণ। রাজনীতিতে সাধারণ মানুষের ভোটের অধিকার গণতান্ত্রিক কাঠামো বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়। কিন্তু সামরিক শাসনের ফলে দেশে দেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশও দীর্ঘ সময় সামরিক শাসনাধীন ছিল। আর সামরিক শাসকদের মধ্যে দীর্ঘ সময় শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। তিনি রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে জাতি ও দেশ গঠনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। তিনি বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির মোক্ষম মাধ্যম হিসেবে প্রশাসন সংস্কার, প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ ও স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালীকরণে মনোনিবেশ করেন। তাঁর শাসনামলের প্রশাসনিক সংস্কার ও উন্নয়ন পদক্ষেপের সুলুকসন্ধান এই বই।

৳ 375.00 375.0 BDT ৳ 500.00

৳ 500.00

Not Available For Sale

Hurry Up! Limited time offer.
Offer Finished.

This combination does not exist.

Stock Availability
অনলাইন Available
ঢাকা শাখা Out of Stock
সিলেট শাখা Out of Stock
চট্টগ্রাম শাখা Out of Stock
রাজশাহী শাখা Out of Stock
Pages

248

Format

Hardcover


100% original guarantee
Return within 30days
Free delivery on all orders

স্বাধীনতা-লাভের পর সুদীর্ঘ পথপরিক্রমায় বাংলাদেশের যদিও অনেক অনেক অর্জন আছে, তথাপি প্রত্যাশিত অগ্রগতি আসেনি। এখনো ক্ষুধা-দারিদ্র্যতা, বেকারত্ব, বাস্তুহীনতা, শিক্ষা, চিকিৎসা ও সামাজিক নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলো অগ্রগতির পথকে রুদ্ধ করছে বারংবার। স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল একটি বৈষম্যহীন কল্যাণমূলক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার। আর এই মূল প্রত্যাশাই পূরণ হয়নি। রাজনীতির লক্ষ্য গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা এবং জনকল্যাণ। রাজনীতিতে সাধারণ মানুষের ভোটের অধিকার গণতান্ত্রিক কাঠামো বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়। কিন্তু সামরিক শাসনের ফলে দেশে দেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশও দীর্ঘ সময় সামরিক শাসনাধীন ছিল। আর সামরিক শাসকদের মধ্যে দীর্ঘ সময় শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। তিনি রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে জাতি ও দেশ গঠনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। তিনি বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির মোক্ষম মাধ্যম হিসেবে প্রশাসন সংস্কার, প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ ও স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালীকরণে মনোনিবেশ করেন। তাঁর শাসনামলের প্রশাসনিক সংস্কার ও উন্নয়ন পদক্ষেপের সুলুকসন্ধান এই বই।

Author image

অমল বড়ুয়া

অমল বড়ুয়া — এক মননের সংবেদনশীল স্রষ্টা, যিনি শব্দকে কেবল প্রকাশের উপায় নয়, আত্মবীক্ষণের দর্পণ হিসেবে ব্যবহার করেন। চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলার আধারমানিক গ্রামের জমিদারবাড়ীখ্যাত জনুলোথক পরিবারে তাঁর জন্ম। পিতা সুদত্ত বড়ুয়া ও মাতা ছবি বড়ুয়ার স্নেহে ও অনুপ্রেরণায় গড়ে ওঠা এই চিন্তাশীল মানুষটি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লোকপ্রশাসনে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। তাঁর লেখালেখি যেন বোধ ও প্রজ্ঞার এক অবিরাম যাত্রা। অমল বড়ুয়ার রচনায় প্রতিফলিত হয় বৌদ্ধ দর্শনের আলোকধারা, রাষ্ট্র ও প্রশাসনের গভীর বিশ্লেষণ, সমাজ-সংস্কৃতির বহুমাত্রিক রূপ এবং মানুষের অস্তিত্বচেতনার সূক্ষ্ম অনুসন্ধান। তাঁর লেখায় তথ্য ও তত্ত্ব যেমন নির্ভুলভাবে বিন্যস্ত, তেমনি অনুভূতির স্তরেও জাগে নান্দনিকতার স্বচ্ছ দীপ্তি। তিনি বিশ্বাস করেন—লিখন এক শিল্প, এক ধ্যান, যেখানে চিন্তা পরিণত হয় সৌন্দর্যে, আর সৌন্দর্য রূপ নেয় প্রজ্ঞায়। অমল বড়ুয়া সময়কে দেখেন গভীর দৃষ্টিতে। তিনি অতীতের আলোকে বর্তমানকে বোঝেন, আর বর্তমানের মধ্য দিয়ে ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখেন। তাঁর কলমে ইতিহাস ও সমকাল মিলিত হয় এক মানবিক বোধে, যেখানে শব্দ হয়ে ওঠে সময়ের সাক্ষী এবং চিন্তা হয়ে ওঠে সত্যের দিশারী। তাঁর লেখায় আছে এক নীরব সুর—যা পাঠকের মনে জাগায় মননের উজ্জ্বল আলো, তৈরি করে আত্মচিন্তার প্রশান্ত পরিসর। তাঁর এই নিরন্তর সাহিত্য ও জ্ঞানচর্চা পেয়েছে যথাযোগ্য স্বীকৃতি। ২০১৮ সালে সেন্টার অব এক্সেলেন্স ইন বুড্ডিস্ট স্টাডিজ, বাংলাদেশ তাঁকে প্রাজ্ঞ লেখক ও গবেষক হিসেবে ‘এপ্রিসিয়েশন অব মেরিট’ সম্মাননায় ভূষিত করে। ২০২২ সালে তাঁর প্রবন্ধগ্রন্থ ‘সমকালীন আধ‍্যান’ তাঁকে এনে দেয় অক্ষরবৃত্ত পাণ্ডুলিপি পুরস্কার। ২০২৫ সালে তিনি লাভ করেন বিশুদ্ধানন্দ-সুগতানন্দ স্বর্ণপদক এবং একই বছর অর্জন করেন ‘প্রজ্ঞাপ্রতিম’ উপাধি—যা তাঁর সাহিত্য ও মননচর্চার উজ্জ্বল স্বীকৃতি। অমল বড়ুয়া বর্তমানে অবিরাম লিখে চলেছেন—গভীর চিন্তা ও সৃজনশীলতার মিলনে নির্মাণ করছেন এমন সব রচনা, যা সময়ের সীমানা অতিক্রম করে মানবচেতনার অনন্ত আলোয় অবস্থান করবে। তাঁর অপ্রকাশিত লেখাগুলো আজও অপেক্ষমাণ—পাঠকের হৃদয়ে প্রজ্ঞা ও সৌন্দর্যের নবতর অভিজ্ঞতা সঞ্চার করার প্রত্যাশায়।

Writer

অমল বড়ুয়া

Publisher

অক্ষরবৃত্ত

ISBN

9789846700244

Language

Bengali / বাংলা

Country

Bangladesh

Format

Hardcover

First Published

2026

Pages

248